বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর)
দুপুরে বঙ্গভবনে বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেমের নেতৃত্বে সংগঠনটির একটি
প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের
অর্থনীতির ধারাবাহিক গতি ধরে রাখতে শিল্প ও ব্যবসা খাতের বিভিন্ন অংশীজনের মধ্যে
সমন্বয় বাড়ানো জরুরি। একই সঙ্গে এমন উদ্যোগ প্রয়োজন, যাতে
অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষই উপকৃত হয়।
তিনি বলেন, অর্থনীতিকে
শক্তিশালী করা, কর্মসংস্থান বাড়ানো এবং ব্যবসায়ীদের ঘুরে
দাঁড়ানোর সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে সরকার অর্থনীতি, শিল্প ও
ব্যবসাবান্ধব বিভিন্ন নীতি গ্রহণ করেছে। শিল্প-বাণিজ্যের বিকাশ অব্যাহত রাখতে
প্রয়োজনীয় সুরক্ষা নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ।
বিনিয়োগ বৃদ্ধির প্রসঙ্গে
ব্যাংকঋণের সুদের হার কমানোর প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন রাষ্ট্রপতি। পাশাপাশি
শিল্পকারখানায় জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সৌরবিদ্যুৎসহ বিকল্প জ্বালানি ব্যবস্থার
দিকে উদ্যোক্তাদের মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
দেশের রপ্তানি আয় ও বৈদেশিক মুদ্রার
রিজার্ভে নিটওয়্যার শিল্পের অবদানের কথাও তুলে ধরেন রাষ্ট্রপতি। এ খাতের উদ্যোক্তা
ও রপ্তানিকারকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য তিনি তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ
করেন।
সাক্ষাতে দেশের বিভিন্ন
সমস্যা গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সমাধানের ওপরও গুরুত্ব দেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, জাতীয়
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সংসদে আলোচনা ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে নিষ্পত্তি
করা উচিত।
বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ
হাতেমের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে ছিলেন সংগঠনের নির্বাহী সভাপতি ফজলে শামীম এহসান, সহসভাপতি
(অর্থ) মোরশেদ সারোয়ার, মো. সামসুজ্জামান, আশিকুর রহমান ও ফকির কামরুজ্জামানসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।
এ সময় বিকেএমইএর পরিচালক মো.
জামাল উদ্দিন মিয়া,
মো. আবদুল হান্নান, খন্দকার সাইফুল
ইসলাম, মোহাম্মদ জাকারিয়া ওয়াহিদ, রতন কুমার সাহা, ইমরান কাদের, মিনহাজুল হক, বেলায়েত হোসেন, শাহরিয়ার সাইদ, এম ইসফাক আহসান, মো. মনিরুজ্জামান, মোহাম্মদ শামসুল আজম,
ফৌজুল ইমরান খান, আবদুল বারেক, মহসিন রাব্বানি, আহমেদ নূর ফয়সাল, মনসুর আহমেদ, মামুনুর রশিদ ও মো. আরিফ ইসলাম
শাহ উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব,
প্রেস সচিবসহ বঙ্গভবনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
দ্যা প্রেস নিউজ/এফজে
মন্তব্য করুন