বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) এক
যৌথ বিবৃতিতে এ দাবি জানান জেলা ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি জয় হাসান ও সাধারণ সম্পাদক
দীপা নাগ তন্দ্রা।
সংগঠনটির নেতাদের অভিযোগ, সম্প্রতি
বাসভাড়া বৃদ্ধির পর ঢাকা–নারায়ণগঞ্জ রুটে নির্ধারিত হিসাবের সঙ্গে যাত্রীদের কাছ
থেকে আদায় করা ভাড়ার মধ্যে পার্থক্য দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে উৎসব ও বন্ধন পরিবহনের
বাসে এ বিষয়ে যাত্রীদের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে বলে তারা দাবি করেন।
তাদের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, ২১
সেপ্টেম্বর থেকে প্রতি কিলোমিটারে ১৭ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর পর কিলোমিটারপ্রতি
নির্ধারিত ভাড়া দাঁড়িয়েছে ২ টাকা ৬০ পয়সা। ১৯ কিলোমিটারের ঢাকা–নারায়ণগঞ্জ পথের
ভাড়া হিসাবে আসে ৪৯ টাকা ৪০ পয়সা। এর সঙ্গে ফ্লাইওভারের ৫ টাকা টোল যোগ করলে মোট
ভাড়া দাঁড়ায় ৫৪ টাকা ৪০ পয়সা। কিন্তু কয়েকটি বাসে ৬০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে বলে
অভিযোগ সংগঠনটির।
শিক্ষার্থীদের ভাড়ার বিষয়েও
আপত্তি জানিয়েছে ছাত্র ফ্রন্ট। তাদের দাবি, হাফপাসের ভাড়াও ১০ টাকা বাড়ানো
হয়েছে। শিক্ষার্থীদের জন্য এমন সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সংগঠনটি
বলেছে, শিক্ষার্থীদের আর্থিক চাপ বিবেচনায় সপ্তাহের
প্রতিদিন হাফপাস সুবিধা চালু করা প্রয়োজন।
ছাত্র ফ্রন্টের নেতারা জানান, বাসভাড়া
নিয়ে এর আগেও তারা জেলা প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছিলেন। বর্ধিত ভাড়া
প্রত্যাহার এবং শিক্ষার্থীদের সাত দিন হাফপাস দেওয়ার দাবির বিষয়ে তখন প্রশাসনের
পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে প্রত্যাশিত পরিবর্তন হয়নি বলে তাদের অভিযোগ।
বিবৃতিতে বলা হয়, দ্রব্যমূল্যের
ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষের সংসার পরিচালনার ব্যয় বেড়েই চলেছে। এমন পরিস্থিতিতে গণপরিবহনে
নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত টাকা আদায় হলে যাত্রীদের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ তৈরি হয়।
এ কারণে ঢাকা–নারায়ণগঞ্জ রুটে চলাচলকারী বাসগুলোতে
ভাড়া আদায়ের বিষয়টি নিয়মিত তদারকির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। পাশাপাশি
অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা এবং শিক্ষার্থীদের
সপ্তাহের সাত দিন হাফপাস নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র
ফ্রন্ট।
দ্যা প্রেস নিউজ/এফজে
মন্তব্য করুন