নারায়ণগঞ্জের বন্দরে মাটির
নিচে লুকিয়ে রাখা দেশীয় অস্ত্রের সন্ধান পেয়েছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ
ঘটনায় মতিউর রহমান জনি ওরফে ‘ব্ল্যাক জনি’ (৩৯) ও রিফাত হাসান (২৬) নামে দুজনকে
গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশের ভাষ্য, গ্রেপ্তার
দুজনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি হাঁসের খামারের পাশ থেকে প্লাস্টিকের বস্তায়
রাখা ১৬টি দেশীয় অস্ত্র ও সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) এক
প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান।
পুলিশ সুপার বলেন, বন্দর
থানার কলাগাছিয়া ইউনিয়নের ঘাড়মোড়া কাজিবাড়ি এলাকায় শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাত
১০টা ৫৫ মিনিটের দিকে অভিযান চালায় ডিবির একটি দল। সেখান থেকেই মতিউর রহমান জনি ও
তার সহযোগী রিফাত হাসানকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে গ্রেপ্তারদের দেখানো
স্থান অনুযায়ী একটি হাঁসের খামারের দক্ষিণ পাশে মাটি খুঁড়ে প্লাস্টিকের বস্তাটি
বের করা হয়। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে
পাঁচটি লোহার রামদা, এসএস বাটযুক্ত দুটি রামদা, লোহার বাটযুক্ত দুটি রামদা, দুটি ছোরা,
দুটি দা এবং তিনটি জিআই পাইপ।
পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর
রহমানের দাবি, মতিউর রহমান জনি বন্দর এলাকায় পরিচিত সন্ত্রাসী হিসেবে পুলিশের কাছে
চিহ্নিত। মাদক ব্যবসা, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও কিশোর
গ্যাংয়ের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে বলেও জানান তিনি।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত
দিয়ে পুলিশ জানায়,
গ্রেপ্তার দুজন দীর্ঘদিন ধরে পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে
চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মাদক ব্যবসা
ও অন্যান্য অপরাধে ব্যবহারের জন্য অস্ত্রগুলো নিজেদের কাছে রেখেছিল বলে তারা
স্বীকার করেছে।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজনের
বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে বন্দর থানায় মামলা করা হয়েছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মতিউর রহমান জনির বিরুদ্ধে
বন্দর ও সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি, অস্ত্র
আইনে একটি এবং দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় আরও পাঁচটি মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।
সব মিলিয়ে তার বিরুদ্ধে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা সাতটি।
দ্যা প্রেস নিউজ/এফজে
মন্তব্য করুন