নারায়ণগঞ্জে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে সপ্তাহব্যাপী গণসচেতনতামূলক কর্মসূচি শুরু করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরী। কর্মসূচির আওতায় মহানগরীর ২৭টি ওয়ার্ডে লিফলেট বিতরণ, মশক নিধন, পরিচ্ছন্নতা অভিযানসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনার কথা জানিয়েছে দলটি।
শনিবার (৩ অক্টোবর) বাদ আসর নারায়ণগঞ্জে আয়োজিত কর্মসূচির উদ্বোধনী
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মহানগরী জামায়াতের আমীর আবদুল জব্বার এসব তথ্য জানান।
আবদুল জব্বার বলেন, ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের পাশাপাশি রাজনৈতিক
ও সামাজিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের মানুষের নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখা
প্রয়োজন। জনসচেতনতা বাড়ানো গেলে ডেঙ্গুর বিস্তার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব বলেও
তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি জানান, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী ৪ থেকে ১০ অক্টোবর
পর্যন্ত দেশব্যাপী বিশেষ কর্মসূচি পালন করবে জামায়াতে ইসলামী। এর ধারাবাহিকতায় নারায়ণগঞ্জ
মহানগরীর ২৭টি ওয়ার্ডে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ, বিনামূল্যে প্রতিষেধক
বিতরণ, ফগার মেশিনের মাধ্যমে মশক নিধনের ওষুধ ছিটানো এবং পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা
করা হবে।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাড়ির আশপাশে পানি জমতে না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে
তিনি বলেন, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে নালা-নর্দমা, ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্রসহ
যেসব স্থানে পানি জমে থাকে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। একই সঙ্গে গৃহস্থালির
বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে ফেলার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, চিকিৎসকদের পরামর্শ ও বৈজ্ঞানিক তথ্যের ভিত্তিতে
ডেঙ্গুর বিস্তার, উপসর্গ এবং প্রতিরোধের করণীয় নিয়ে বিশেষ লিফলেট প্রস্তুত করা হয়েছে।
এসব লিফলেট মহানগরীর ২৭টি ওয়ার্ডে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিতরণ করা হবে।
ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও জনসচেতনতার বিভিন্ন দিক নিয়ে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা মইনুদ্দিন আহমাদ।
মহানগরী জামায়াতের সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি মুহাম্মদ জামাল হোসাইনের
সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগরী নায়েবে আমীর মাওলানা আবদুল কাইয়ুম,
সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মানোয়ার হোসাইন, সহকারী সেক্রেটারি এইচ এম নাসির উদ্দিন ও মো.
জাকির হোসাইন, কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা সাইফুদ্দিন মনির ও হাফেজ আব্দুল মোমিনসহ বিভিন্ন
পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় ব্যক্তিরা।
দ্যা প্রেস নিজ/এসআর
মন্তব্য করুন