বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে মাদরাসা প্রাঙ্গণে জড়ো হয়ে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। একপর্যায়ে তাঁরা অধ্যক্ষের কার্যালয় ঘেরাও করেন। বিক্ষোভ চলাকালে জানালার কাচ, টেবিলসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের বেতন ও পরীক্ষার ফি কমানোর আবেদন জানাতে গেলে অধ্যক্ষ তাঁদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। এ ঘটনার প্রতিবাদে তাঁরা বিক্ষোভে নামেন। একই সঙ্গে অধ্যক্ষের অপসারণের দাবিও জানান তাঁরা।
তবে শিক্ষার্থীদের তোলা দুর্ব্যবহারের অভিযোগ নাকচ করেছেন মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আতিকুল্লাহ। তাঁর দাবি, কয়েকজন শিক্ষার্থী ইউনিফর্ম ছাড়া ক্লাসে আসায় তিনি তাঁদের নিষেধ করেছিলেন। এ নিয়ে দুর্ব্যবহারের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
অধ্যক্ষ বলেন, “কিছু শিক্ষার্থী ইউনিফর্ম ছাড়াই ক্লাসে আসছিল। এ নিয়ে আমি তাদের নিষেধ করেছি। এখানে দুর্ব্যবহারের প্রশ্নই ওঠে না। পরীক্ষার ফি কমানোর দাবিতে তারা কয়েক দিন ধরে বলছিল। আমি বলেছি, যাদের সামর্থ্য নেই তারা আবেদন করুক। কিন্তু তারা ধৈর্য ধরেনি।”
এ বিষয়ে বন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শিবানী সরকার জানান, ঘটনার খবর পাওয়ার পর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন এবং সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছেন।
দ্যা প্রেস নিউজ/এফজে
মন্তব্য করুন